স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে? জানালেন প্রতিমন্ত্রী
দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এবং নির্বাচনী পদ্ধতিতে বড় ধরণের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। আরও দেখুন TV & Video Weather Politics প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত হওয়ার পরেই নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, "স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে কিছু অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এই অধ্যাদেশগুলো যখন জাতীয় সংসদে আইনে রূপান্তরিত হবে, তখনই নির্বাচনের দিকে এগোবে সরকার।" নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি আরও একটি যুগান্তকারী ঘোষণার কথা জানান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধান বাতিল করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং সংসদের মাধ্যমেই এই আইনটি সংশোধন বা বাতিল করা হবে। অর্থাৎ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের দলীয় ব্যানারে লড়াই করার বর্তমান প্রথাটি আর থাকছে না।এদিন ১৪টি জেলা পরিষদে নবনিযুক্ত প্রশাসকদের নিয়ে মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রতিমন্ত্রী।
১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে টিকাদান কর্মসূচি ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে টিকাদান কর্মসূচি বিস্তারিত পড়ুন প্রশাসকদের নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিন্তু রাজপথ ছাড়েননি এবং জনগণের পাশে থেকে কাজ করেছেন, তাদেরকেই এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে যাদের মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাদের এই সেবামূলক কাজে যুক্ত করা হয়েছে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ পেলেও কাজের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সকল প্রশাসককে তাদের কর্মের জন্য কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।" উল্লেখ্য, চব্বিশের বিপ্লব পরবর্তী সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ করতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হলে এলাকায় যোগ্য ও সৎ প্রতিনিধিরা জয়ী হয়ে আসার সুযোগ পাবেন। প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নির্বাচনের আমেজ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরপরই নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করবে।
Comments
Post a Comment