ঢাকা মেডিকেলে ভয়াবহ অঘটন

 January 25, 2026



পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গৃহবধূ নাজমিন বেগম (২০) কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। কৃষক স্বামী চিকিৎসার খরচ দিতেন না। চার মাসের সন্তান কোলে নিয়ে বাবা-মার সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অবশেষে হাসপাতালের ভবন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।   


রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নাজমিন হাসপাতালের নতুন ভবনের অষ্টম তলার ৮০২ নাম্বার ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। 


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, মেয়েটি নিজেই আত্মহত্যা করার উদ্দেশে লাফ দেন। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শাহবাগ থানাকে অবগত করা হয়েছে। 


জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ১ নাম্বার ওয়ার্ডের রাজমিস্ত্রি জালাল খন্দকারের মেয়ে নাজমিন। একই এলাকার ২ নাম্বার ওয়ার্ডের কৃষক রায়হান ব্যাপারীর স্ত্রী তিনি। জোবায়ের নামে চার মাস বয়সি ছেলে রয়েছে তার। 


নাজমিনের বাবা জালাল খন্দকার জানান, ২০২১ সালে মেয়েকে বিয়ে দেন। তার স্বামী কৃষি কাজ করে। মেয়ে কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। তার স্বামী তেমন কোনো খবর নেয় না। চিকিৎসার খরচও দিত না। এর আগেও নাজমিনকে চিকিৎসা করানো হয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি নাজমিনকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাবা-মাই তার দেখাশোনা করছিল। স্বামী দেখতেও আসেনি।


তিনি বলেন, আমি তাকে ওয়ার্ডে রেখে একটি রিপোর্ট আনতে বাইরে গিয়েছিলাম। তার মার কাছে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে যায়। পরে আর তাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। লোকজনের মাধ্যমে সংবাদ পাই, হাসপাতালের পেছন দিকে একজন মানুষ পড়ে গেছে। লোকজন ভিড় করে রেখেছে। সেখানে গিয়ে দেখতে পাই, আমার মেয়ে নিচে পড়ে আছে।

Comments

Popular posts from this blog

3যারা যারা মনোনয়ন পাচ্ছে, তাদের তালিকা

ব্রেকিং নিউজ : সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে এমপি পদে থাকবেন যারা, দেখুন তালিকাসহ

এইমাত্র পাওয়া: যারা যারা মনোনয়ন পাচ্ছে, তাদের তালিকা